Breaking News

অপরাধ

করোনা ঠেকাতে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমুদ্র সৈকতে মানুষের ঢল! চীন থেকে ভয়াবহ আকারে ছড়ানো করোনাভাইরাস ভারতীয় উপমহাদেশেও বিস্তার লাভ করছে। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে এ অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গণজমায়েত বন্ধ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলেও মানুষ এটিকে ছুটি কাটানোর উপলক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে ভিড় বাড়ছে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ এ তথ্য প্রকাশ করে হতাশা ব্যক্ত করেছে

তিনি বলেছেন, রাজ্যকে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। তবে মানুষ এখন সমুদ্র সৈকতে ভিড় করতে শুরু করেছেন। নিউজ অ্যান্ড ব্লগ ডট কম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

করাচিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মুরাদ আলী শাহ বলেছেন, আমরা করোনার বিস্তার ঠেকাতে স্কুল কলেজ বন্ধ করেছি। কিন্তু এ ‍সুযোগে মানুষ সমুদ্র সৈকত দেখতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, আমরা সবকিছু বন্ধ করিনি। এই কঠিন পরিস্থিতি মানুষের ঘরে অবস্থান করা জরুরি।

সিন্ধুর মূখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে একদিনের একশ’ এর অধিক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর দ্রুত বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছে। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় সবার সুরক্ষিত থাকতে ঘরে থাকা জরুরি। 

মুরাদ আলী শাহ বলেন, মানুষের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। সেটি করলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকের গো’পনা’ঙ্গে কে’টে দিল

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার পরিবার এক যুবকের পু’রুষা’ঙ্গে ছু’রি দিয়ে আ’ঘাত করেছে বলে অভি’যোগ পাওয়া গেছে।

গত শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার গোয়ালী গ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে যুবকের স্বজনরা আ’হত অবস্থায় তাকে উ’দ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

কর্তব্যরত চিকিৎ’সক তাকে উন্নত চিকিৎ’সার জন্য কুমিল্লা মেডি’কেল কলেজ হাসপা’তালে পাঠান। আ’হ’ত যুবকের বাড়ি উপজেলার জলম গ্রামে।

তিনি একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে চান্দিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আহাদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই মেয়ের সঙ্গে প্রেম ছিল যুবকের।ঘটনার দিন মেয়ের পরিবার ফোন করে তাকে বাসায় ডেকে নিয়ে আসে। এরপর বিয়ের জন্য চাপ দেয়। সে সময় বিয়ে করতে রাজি না হলে মেয়ের পরিবার ক্ষি’প্ত হয়ে ধারালো অ’স্ত্র দিয়ে তার পু’রুষা’ঙ্গে আ’ঘা’ত করে।

পানির ট্যা’প ব’ন্ধ না করায় ৭৮ বছর বয়সী শ্বশুরের মা’থা ফা’টালেন পুত্র বধূ

সাতক্ষীরয় ৭৮ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মাথা ফা’টিয়ে দিয়েছেন তার পুত্রবধূ।

এ ঘটনায় বৃদ্ধ নিজে বা’দী হয়ে থা’নায় একটি লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেছে।

জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ সখিপুর গ্রামের মৃ’ত হামিজদ্দীন সরদারের পুত্র নেছার আলী সরদার নামের ৭৮ বছরের এক বৃদ্ধ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে তার নিজ বাড়ির বেসিনের ট্যা’পে হাত মুখ ধুয়ে বে’খয়ালে ট্যা’পটি বন্ধ না করে ঘরে চলে যান।

এ সময় বৃদ্ধের ছোট পুত্র কওছার আলীর স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা এটি দেখতে পায়। তখন পুত্রবধূ বৃদ্ধের উপর ক্ষি’প্ত হয়ে রুটি তৈরি করা বেলন দিয়ে বৃদ্ধের মা’থায় স’জো’রে আ’ঘা’ত করে। ফলে বৃ’দ্ধের মা’থা কে’টে র’ক্তপাতের ঘটনা ঘটে।

পরে বৃ’দ্ধ নেছার আলী থানায় এসে বা’দী হয়ে পুত্র বধূর নামে একটি লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করে। তবে তার পুত্রবধূ এমন ঘটনা প্র’তিনিয়ত ঘটায় বলে জানান ৭৮ বছর বয়সী বৃ’দ্ধ নেছার আলী। এ ব্যাপারে দেবহাটা থা’নার ওসি (তদ’ন্ত) উজ্বল কুমার মৈত্র জানান, একটি অ’ভিযোগ পেয়েছি। ত’দন্ত করে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী, গ্রেপ্তার ৩

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের একজনের বয়স ১৩ বছর, অন্যজনের ১৫ বছর। গতকাল রবিবার রাত ১১টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার রাত ১০টা থেকে গতকাল ভোর ৫টার মধ্যে দুই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়। তারা দুজন বান্ধবী। এক কিশোরীর ভাবি কদমতলী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সোহেল ব্যাপারী (৩৮), রানা ব্যাপারী (৩২) ও আকতার আলী (৩৮)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই কিশোরী কদমতলী থানাধীন শ্যামপুরের নোয়াখালী পট্টিতে পাশাপাশি থাকে। আসামিরাও থাকতেন একই এলাকায়। শনিবার রাতে দুই কিশোরী একই বাসায় ছিল। আসামিরা বাসায় ঢুকে তাদের ধর্ষণ করে। মামলা হওয়ার পর তাদের হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

এ বিষয়ে কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে তারা তথ্য দিচ্ছে।’

দুর্নীতি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে

সমাজের অবক্ষয় রোধে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি। সুতরাং দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। গতকাল রোববার সকালে মিরপুর সেনানিবাসে কমান্ড্যান্ট, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) কোর্সের সমাপনী এবং গ্র্যাজুয়েশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, তার সরকার দেশের যুব সমাজের যোগ্যতা, জ্ঞান এবং শক্তিকে দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে চায়।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে চলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি তাদের আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে তারা যেকোনো দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে এবং যেকোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে যেখানে কাজ করেছে, মানবিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে সেখানকার মানুষের হৃদয় জয় করেছে। আমি যখন বিদেশে যাই বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান তাদের সঙ্গে যখন দেখা হয়, যারা আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছে, তারা যখন প্রশংসা করে গর্বে আমার বুক ভরে যায়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার সুমহান দায়িত্ব যেমন পালন করছে, আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রেখে যাচ্ছে। কিন্তু একটি বিষয় বিশেষভাবে দৃষ্টি দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ করব, সেটা হচ্ছে সমাজে যখন ‘ব্যাধি’ দেখা যায় সেটা নিয়ে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই ১১ বছর আমি মনে করি, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বক্ষেত্রে আমরা আধুনিক সাজ সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি সাধন করতে পেরেছি।

গ্রামপর্যায়ে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো গ্রাম আর অবহেলিত থাকবে না। গ্রামের মানুষ যারা বসবাস করে তারা সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা পাবে। সেইভাবেই আমরা আমাদের প্রতিটি গ্রামকে সাজাতে চাই, গড়ে তুলতে চাই এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও আমরা করে দিতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না, শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না। সেই নীতিমালা নিয়েই আমরা রাষ্ট্রপরিচালনা করছি। সে ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি আমরা লাভ করেছি।

আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কোর্স সম্পন্নকারী অফিসারদের মাঝে গ্র্যাজুয়েশন সনদপত্র (পিএসসি) বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে সকল গ্র্যাজুয়েটদেরকে সাফল্যের সাথে কোর্স সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি তাদের সকলকে নতুন দায়িত্বে মনোযাগী হয়ে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য উপদেশ প্রদান করেন। তিনি সামরিক বাহিনী কমান্ড ও ষ্টাফ কলেজের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. এনায়েত উল্ল্যাহ স্বাগত ভাষণ দেন। কমান্ড্যান্ট তার ভাষণে বলেন, এ বছরের গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠান একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে কেননা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর এক মহতী লগ্নে এই গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছর ডিএসসিএসসি ২০১৯-২০২০ কোর্সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১২৫ জন অফিসার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৩৪ জন অফিসার, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ২২ জন অফিসার এবং চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, ফিলিপাইন, সৌদিআরব, সিয়েরালিয়ন, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, সুদান, তানজানিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাম্বিয়া থেকে আগত ৫৪ জন অফিসারসহ সর্বমোট ২৩৫ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মন্ত্রী, ভারপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.শামসুল হকসহ উচ্চপদসহ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।