Breaking News

গোবর-গোমূত্র খেয়েও ভারতে করোনায় ২ জনের মৃত্যু! মাত্র কদিন আগেই হিন্দু মহাসভার প্রধান চক্রপাণি মহারাজ করোনা ঠেকাতে গোমূত্র পান ও গোবর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। অনেকে পরামর্শ মতে শুরু করেছিলেন সেবন। তবুও কাজে দিলো না। গোবর ও গোমূত্র সেবন করেও করোনায় ভারতে ২ জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের রক্তের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল এসে পৌঁছায়নি। তারা দুজনই লাদাখ ও পশ্চিমবঙ্গের বলে সোমবার জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়। জানা যায়, লাদাখে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এক রোগীর মৃ’ত্যু ঘটে। সম্প্রতি ইরান থেকে ফিরেছিলেন ৭৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। দেশে ফেরার পর করোনার লক্ষণ নিয়ে শনিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। নিশ্চিত হতে তার রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু ফলাফল হাতে আসার আগেই রোববার হাসপাতালেই তিনি মা’রা যান। চক্রপাণি মহারাজের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে পঞ্চগব্য (দই, দুধ, ঘি, গোবর ও গোমূত্র) খাওয়ান স্বজনরা। এই ঘটনার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একাধিক পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। ওই ব্যক্তির গ্রাম ঘিরে রাখা হয়েছে। একই অঞ্চলে করোনার লক্ষণ নিয়ে আরেক রোগী- সাবেক পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে শনিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আরও নানা রোগে ভুগছেন। এদিকে সৌদি আরব থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে ফেরা অপর এক যুবকের মা’রা যান রোববার। ৫ বছর ধরে সৌদিতে থাকা ওই যুবক শনিবার মুর্শিদাবাদে ফেরেন। এরপর থেকেই তার জ্বর ও শ্বাসক’ষ্ট দেখা দেয়। মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা সন্দেহে তাকে ভর্তি করা হয়েছিল। এই যুবককেও গোমূত্র পান করানো হয়েছিল স্বজনদের পরামর্শ অনুযায়ী। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হযনি। প্রসঙ্গত, ভারতে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। রোববার আরও ৫ জনের শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সুত্র এ সময় আরো সংবাদ ভারতকে পাত্তা দিচ্ছে না ইরান! আফগানিস্তানে ২০০১ সালে ও ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন হস্তক্ষেপ পরবর্তী সময়কালে ভারত-ইরান সম্পর্কে, প্রিন্সেস ডায়ানা যেভাবে তার বিবাহ সম্পর্কে একটি বিখ্যাত উক্তি করেছিলেন- ‘এতে আছে আমাদের তিনজন’, তৃতীয় হলো যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ১৯৯০-এর দশক থেকে ভারত ও ইরানের মধ্যকার কৌশলগত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আফগানিস্তানে অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের আলোকে এবং তালেবান ও এর মদতদাদা পাকিস্তানের কাছ থেকে আসা অভিন্ন হুমকির প্রেক্ষাপটে। ১৯৯৬ সালে তালেবানের কাবুল দখল করার পর তাদের সম্পর্ক ব্যাপক মাত্রা পায়, ওই সময় সমগ্র আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় নর্দার্ন অ্যালায়েন্স। ২০০১ সালে ওই সময়ের ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এ বি বাজপেয়ি তেহরান সফর করেন। তাকে স্বাগত জানান সংস্কারবাদী ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবের অধিকারী ইরানি প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি। এই সফরের সময় প্রকাশিত তেহরান ঘোষণায় ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা প্রতিফলিত হয়। ইরানি প্রেসিডেন্ট ফিরতি সফরে ২০০৩ সালে ভারত যান এবং প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন। তবে তত দিনে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে তালেবান পাকিস্তানে আশ্রয় পেয়েছে। মার্কিন সৈন্যরা ইতোমধ্যেই আফগানিস্তানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠি করেছে এবং এর দুই মাস পর তারা ইরাকে হামলা চালায়। তারপর ২০০৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের গোপন সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির (এতে পাকিস্তানি বিজ্ঞানী এ কে খানের সম্পর্কসহ) কথা প্রকাশ পেলে ভারত-ইরান সম্পর্কে ছন্দপতন শুরু হয়। ইরানকে তার পরমাণু কর্মসূচির জন্য প্রকাশ্যে সমালোচনা করা হয়, তবে ইরান মনে করেছিল, বিস্তাররোধ চুক্তির (এনটিপি) স্বাক্ষরকারী হিসেবে তাদের কার্যক্রম অনুমোদিত। অন্যদিকে ওই চুক্তিতে সই না করেও অন্যায়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছিল। ভারত-ইরান সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র এবং তা এখনো জোরালভাবে চলছে। ২০০৩ সাল থেকে ভারত-ইরান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এর প্রভাব পড়তে শুরু করে। ইরানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থায় (আইএইএ) ভোট দিতে, ইরানের সাথে বাণিজ্য ও তেল কেনা কমাতে ও মার্কিন অবরোধ অনুসরণ করতে ইরানকে অনুরোধ করে যুক্তরাষ্ট্র। ভারত বলে আসছিল যে তারা কেবল জাতিসঙ্ঘ অবরোধ অনুসরণ করবে, মার্কিন আইন নয়। ইরান পশ্চিম দিকে মনোযোগ দেয় এবং ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সাথে প্রক্সিদের মাধ্যমে ইরাকের সাম্প্রদায়িক ও সন্ত্রাসবাদে জর্জরিত যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ফাঁদে ফেলে। আবু মুসাব আল-জারকাবির অধীনে প্রথম আল-কায়েদার ক্লোন এবং তারপর আবু বকর আল-বাগদাদির মাধ্যমে আইএসআইএস হাইব্রিডের মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সমস্যায় ফেলে দেয়। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ পাল্টা আঘাত হেনে ইরাককে স্থিতিশীল করে জাতীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারলেও তার উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রথমে দ্বিধায় ভুগলেও পরে এই অঞ্চলের ব্যাপারে মার্কিন নীতি পুরোপুরি বদলে ফেলেন। তিনি হিসাব করেন যে হঠাৎ করে আত্মপ্রকাশ করা আইএসআইএসকে (তারা উত্তর ইরাক ও সিরিয়ায় বিশাল এলাকায় আক্ষরিক অর্থেই ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে ফেলে) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে তৃতীয় মার্কিন যুদ্ধের মাধ্যমে (যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত নয়) কিংবা ইরানের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি দ্বিতীয়টিই বেছে নেন এবং এর জের ধরে তিনি ইরানের সাথে পি-৫ ও জার্মানিকে নিয়ে পরমাণু চুক্তিতে সই করেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোর সাথে এই মিত্রতার মাধ্যমে ইরান ধীরে ধীরে তার প্রভাব জাহির করতে থাকে এবং প্রক্সিদের মাধ্যমে ইরাক, সিরিয়া, এবং লেবানন থেকে ভূমধ্যসাগরীলয় এলাকা পর্যন্ত পুরো পশ্চিম এশিয়ার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ভারত-ইরান সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হলেও উভয় দেশই ভিন্ন ভিন্ন কৌশলগত অগ্রাধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করলে আগের উষ্ণতা হারিয়ে যায়। পরলোকগত মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানির নেতৃত্বে ইরানের কুদস বাহিনী সিরিয়ার অবরুদ্ধ বাশার আল আসাদের সমর্থনে এগিয়ে আসে। রাশিয়ার বিমান সহায়তায় হিজবুল্লাহ ও কুদস বাহিনী স্থলবাহিনীর সাথে যোগ দেয়। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনে ব্যক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এমনকি এই দুটি দেশ ইয়েমেনে প্রকাশ্যে এবং সিরিয়ায় অনুসারীদের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেও ভারত-ইরান সম্পর্কে এর আঁচ লাগেনি। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগমনের ফলে। তিনি ওবামার ইরান নীতি বদলে ফেলে সৌদি-আমিরাত জোটের সাথে যোগ দেন, ইরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তি বাতিল করেন, ইরানের ওপর আক্ষরিকভাবেই অবরোধ আরোপ করেন। তিনি তার পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য অতীতের সব রীতিনীতির অবসান ঘটিয়ে প্রকাশ্যে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে থাকেন। তিনি তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেন জেরুসালেমে, ইরানি বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীকে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে ঘোষণা করেন। কাজটি তিনি করেন কোণঠাসা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নির্বাচনে জয়ী করতে সহায়তা করতে। তিনি প্রকাশ্য ব্রিটিশদেরকে বেক্সিটে যেতে আহ্বান জানান, এমনকি বরিস জনসন যাতে প্র্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, সেজন্য তার দল রক্ষণশীল দলের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ভারতে তিনি, নিজের টুইটেই দাবি করেছেন, পুলওয়ামা-বালাকোট প্রায় ভারত-পাকিস্তান সঙ্ঘাতে দ্রুত সাড়া দেন এবং নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দারুণ সাফল্য পেতে এটিকে ব্যবহার করেন। এতে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি-আমিরাতি জোটের বিরুদ্ধে দেশগুলো ভারতকে দলানুগত হিসেবে বিবেচনা করবে, এমনটাই স্বাভাবিক। এই বিপদ খোদ মোদি সরকারই বাড়িয়ে তোলে। ২০১৯ সালে ক্ষমতায় ফিরে তারা আদর্শগত ও সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাকে সামনে রেখে। ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল ও তিন তালাক এবং তারপর নাগরিকত্ব সংশোধনী আআনির মাধ্যমে ওইসব এজেন্ডাকেই বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তবে তা করতে গিয়ে ভারত বিদেশে এবং বিশেষ

২০৭০ সাল থেকে পুরো বিশ্ব দখলে নেবে মুসলমানরা : পিউ রিসার্চ সমীক্ষা ইসলাম ডেস্ক: ২০৭০ সাল থেকে পুরো বিশ্ব দখলে নেবে মুসলমানরা! আগামী ৫০ বছর পর বিশ্বে ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর থেকে অনেক বেশি হবে। বিশ্বখ্যাত সমীক্ষা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে খ্রিস্টধর্ম বিশ্বের বৃহত্তম ধর্ম হলেও ২০৭০ সালের মধ্যে ইসলামই হবে বৃহত্তম ধর্ম। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালে বিশ্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ছিল ২২০ কোটি। এটা তখনকার মোট জনসংখ্যা ৬৯০ কোটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এ সময় মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৩ ভাগ। মুসলমানদের মধ্যে জন্মহার বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালে খ্রিস্টান ও মুসলমান জনসংখ্যা হবে প্রায় সমান সমান। এরপর ২০৭০ সালে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলমানদের সংখ্যা। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপসহ বিশ্বের বহু অঞ্চলে আগামী বছরগুলোতে দ্রুত ইসলাম ধর্মের অনুসারীর লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের দেওয়া তথ্য বলছে, ২০১০ থেকে ২০৫ এই ৩০ বছরের মধ্যে মুসলমান জনসংখ্যা বাড়বে ৭৩ শতাংশ, যা ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন থেকে বেড়ে হবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন। অন্য দিকে, খ্রিষ্টান জনসংখ্যা বাড়বে ৩৫ শতাংশ। একই সময়ে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর জনসংখ্যা অল্প হলেও বাড়বে।ইসলাম ডেস্ক : পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে প্রা’ণঘা’তী করোনা ভাই’রাস। এশিয়ার পর ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে মহামা’রি আকার ধারণ করেছে এই করোনা ভাই’রাস। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে মন্ত্রী উপদেষ্টা কেউই বাদ যাননি এই ভাই’রাসের হাত থেকে। ম’র’ণঘা’তি এই করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৩১১৬ জনেরও বেশি মানুষ মা’রা গেছে। এরমধ্যে শুধু চীনেই মা’রা গেছে প্রায় ২৯৪৩ জন। মহামা’রি আকার ধারণ করা এই করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বেশি বেশি করে একটি দোয়া পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন সময়ের আলোচিত বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। মঙ্গলবার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাস দিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি। আজহারী লিখেন, ”প্রা’ণঘা’তী করোনা ভাই’রাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে, প্রয়োজনীয় স’ত’র্কতার পাশাপাশি এই দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করুন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এই ভ’য়াব’হ ভাই’রাস থেকে হেফাজত করুক। اللَّهمَّ إِنِّي أَعُوُذُ بِكَ مِنَ الْبرَصِ، وَالجُنُونِ، والجُذَامِ، وسّيءِ الأَسْقامِ. (আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’য়ুজুবিকা মিনাল বারাছ, ওয়াল জুনুন ওয়াল জুযাম, ওয়া সায়্যিইল আসক্বাম।) অর্থ: হে আল্লাহ, আমি তোমার নিকট ধ’ব’ল, কু’ষ্ঠ এবং উ’ন্মা’দনা সহ সব ধরনের কঠিন দূ’রারো’গ্য ব্যা’ধি থেকে পা’নাহ চাই। [সুনান আবু দাউদ]”জার্মান অভিধানে এবার যুক্ত হলো আরবি ভাষায় শব্দ ‘ইনশাআল্লাহ’। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের কাছে পবিত্র ও জনপ্রিয় এই শব্দটি, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়– ‘আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন’। জানা যায়, এটি ১৮৮০ সাল থেকে জার্মান ভাষার অভিধান ডুডেন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়ে আসছে। ‘আল্লাহর ইচ্ছায়’ এ শব্দটি মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যতের ঘটনা সম্পর্কিত একটি অভিব্যক্তি। -খবর ইয়েনি শাফাকের। তবে ডুডেন অভিধানের মুদ্রিত সংস্করণে ইনশাল্লাহ শব্দটি ছাপা হবে কি-না; তা নিয়ে এখনও কর্তৃপক্ষ কোনো বিবৃতি দেয়নি। যে সব অর্থে মুসলমানরা শব্দটি ব্যবহার করেন— কোরআনের সুরা: কাহফ, আয়াত : ২৩-২৪ (প্রথম পর্ব) রয়েছে- ২৩. তুমি কখনও কোনো বিষয়ে এ কথা বল না যে, আমি এটি আগামীকাল করব ২৪. ‘ইনশাআল্লাহ’ কথাটি না বলে। যদি (কথাটি বলতে) ভুলে যাও, তবে (যখনই তোমার স্মরণে আসবে) তোমার রবকে স্মরণ কর এবং বল, সম্ভবত আমার রব আমাকে এর (গুহাবাসীর বিবরণ) চেয়ে সত্যের নিকটতর পথনির্দেশ করবেন। এই দুটি আয়াতে রাসূল (সা.)-এর প্রতি বিশেষ নির্দেশনা বর্ণিত হয়েছে। আয়াতে ভবিষ্যৎসম্পর্কিত কোনো কাজ ‘ইনশাআল্লাহ’ না বলে করতে নিষেধ করা হয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে এ নির্দেশনা মহানবী (সা.)-এর জন্য ছিল, কিন্তু এই নির্দেশনা সব মুসলমানের জন্য। এদিকে জীবনের প্রতিটি কাজে মুমিন ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করবে, এমনটাই স্বাভাবিক। নিজের শক্তি-সামর্থ্য ও উপায়-উপকরণের ওপর নির্ভর না করে কেবল আল্লাহর ওপর তিনি নির্ভর করবেন। তাই মুমিন ভবিষ্যতে অনুষ্ঠেয় কাজে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে।

ব্রাজিলের সাও পাওলো ও রিওডি জেনেরিতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভূমিধসে অন্তত ২৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছে ৩০ জন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হানে মৌসুমি ঝড়। এতে ভারী বর্ষণের ফলে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয় সাও পাওলোর গুয়ারুজা, সান্তোজ এবং সাও ভিসেন্ত এলাকায়। পানিতে তলিয়ে গেছে রিও ডি জেনেরির বেশকিছু এলাকা। এ ঘটনায় ভূমিধসে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ হয়েছে ৩০ জন। এছাড়া ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন রিও ডি জেনেরির অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে এক যুবতী আত্মহত্যা করেছে । নিহত যুবতীর নাম ফরিদা আক্তার রান্দি(২৮)। এই ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার(০৫মার্চ) মডেল থানার জিনজিরা ইউনিয়নের অমৃতপুর এলাকায় দুপুর আড়াইটায় । পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেছে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই জামিনুর রহমান জানান, নিহত ফরিদা আক্তার ৩ মাস আগে স্বামী সালাউদ্দিনের কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত হয়। এতে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এই ঘটনার সুত্রধরেই পরিবারের সবার অজান্তে সে একটি ঘরের ভিতর তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে সাথে সাথেই তার সারা শরীর আগুনে পুড়তে থাকে।তার চিৎকারে আশেপাশের মানুষ আসার আগেই সে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিহত ফরিদার বাবার নাম মৃত খোরশেদ আলম। তাদের বাড়ি নোয়াখালি জেলার চাটখিল থানার রামপুর গ্রামে। তারা অমৃতপুর এলাকায় দোলনের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। এব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান,এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আমরা বিষয়টিকে তদন্ত করে দেখব।

Recent Posts

সংসদে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলের জন্য সমুদ্রগামী ছয়টি বড় জাহাজ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ওই ছয়টি জাহাজের মধ্যে দুটি ক্রুড অয়েল মাদার ট্যাংকার, দুটি মাদার প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাংকার (ডিজেল পরিবহন উপযোগী) এবং দুটি মাদার বাল্ক ক্যারিয়ার (কয়লা পরিবহন উপযোগী)। এ ছাড়া সমুদ্রগামী আরও ৪টি নতুন …

Read More »

সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত প্রথম বাংলাদেশি

চীনের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সিঙ্গাপুরে আক্রান্তদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। রোববার সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। ফলে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে প্রথমবারের মতো কোনও বাংলাদেশির আক্রান্ত হওয়ার খবর এলো। রোববার সিঙ্গাপুরে নতুন করে আরও তিনজনকে করোনাভাইরাসে …

Read More »